
নিজস্ব প্রতিনিধি:
আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী সহ সাধারণ জনগন এই প্রার্থী হওয়া ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সমীকরণ বিবেচনা করে মতামত প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের স্বিদ্ধান্ত যে কোন এমপি মন্ত্রী তাদের আত্মীয় স্বজনদের প্রার্থী করতে পারবে না এমনকি কোন প্রার্থীর পক্ষাবলম্বন পর্যন্ত করতে পারবে না। তাই বর্তমান এমপি উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে পিন পয়েন্ট সাইলেন্ট আছেন। কিন্তু সাবেক এমপি তানভীর ইমাম কিছু ব্যক্তিকে প্রার্থী করেছে যাতে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ নির্বাচনে খুব বেশী সুবিধা করে মাঠ গোছাতে না পারে।
উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন প্রবীন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিশেষ করে চেয়ারম্যান পদে কিছু ব্যক্তি প্রার্থী হয়েছে অনেকটা হঠাৎ করে। আর তাদের প্রার্থী হবার পিছনে সাবেক এমপি তানভীর ইমামের মদদ ও সহযোগিতা রয়েছে বলে সর্বোমহলে গুঞ্জন রয়েছে।
উল্লাপাড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ দীর্ঘদিন যাবত মুখোমুখি অবস্থানে ছিলো। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তানভীর ইমাম মনোনয়ন না পাওয়ায় প্রতিপক্ষের নেতা কর্মীরা নিজেদের প্রভাব শক্তিশালী করার নিমিত্তে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থীর বিজয় নিয়ে অবেকটাই স্বাচ্ছন্দে ছিলেন বলে অনেকেই মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।
উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কারী একজন বলেন, সাবেক এমপি তানভীর ইমামের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে আমরা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলাম। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড এই বিষয় জানতে পেরে তাকে এই বার মনোনয়ন দেন নাই এবং এমপি হতে পারেন নাই। এখন তিনি তার প্রভাব ফিরে পেতে কিছু ব্যক্তিকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করে প্রার্থী করেছেন। এই সব কুট কৌশল সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অবগত। তাই যতই ষড়যন্ত্র করুক অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তির আশা পুরন হবে না।
Reporter Name 






















