
নিজস্ব প্রতিনিধি:
শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়ার বহি:স্কৃত ছাত্রনেতা রহমত ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একই গ্রামের ঔষধের দোকানে চুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী শ্রী সংকর নারায়ন সাহা।
থানায় দেয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “আমি শ্রী সংকর নারায়ন সাহা (৬৭), পিতা-সতীশ চন্দ্র সাহা অদ্য আপনার থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতেছি যে, সিরাজগঞ্জ থানাধীন শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া সীমান্ত বাজার সাকিনে আমার “ভাই ভাই ফার্মেসী” নামক ঔষধের দোকান আছে। গত ইং ১৮/০৩/২০২৪তারিখ রাত্রি অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় আমার উক্ত ঔষধের দোকান বন্ধ করিয়া আমার বাসায় চলিয়া যাই এবং পরেরদিন ১৯/০৩/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান 09.00 ঘটিকার সময় আমার পার্শ্বের দোকানদার মোঃ গোলাম কিবরিয়া বাবু (৩৫), পিতা-মৃত শাহাদৎ খান, সাং-কোনাবাড়ী, থানা-কামারখন্দ, জেলা-সিরাজগঞ্জ তার মনোহারী দোকান খুলতে গিয়া আমার দোকান ভাঙ্গা দেখিয়া আমার বাসায় আসিয়া আমাকে সংবাদ দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার দোকানে গিয়া দেখি যে, আমার দোকানের টিনের শাটারের ভিতরের শিকল ভাঙ্গা।
অতঃপর দোকানে ঢুকিয়া দেখি যে, দোকানে থাকা নিম্নবর্ণিত নগদ টাকা ও ঔষধপত্র নাই এবং বেশকিছু ঔষধ ছড়াইয়া ছিটাইয়া নষ্ট করিয়াছে।
আমি তাৎক্ষনিকভাবে উক্ত বিষয়ে সাক্ষী ১। মোঃ গোলাম মোস্তফা দোকানদার, পিতা- জামাত আলী, সাং-কুরিয়া, ২ মে রাশিদুল ইসলাম, কাঠ ব্যবসায়ী, পিতা-আব্দুল হামিদ, সাং- ধুকুরিয়া, ৩। জগদ্বীস সাহা, পিতা-মৃত যোগেশ সাহা, সাং-ধুকুরিয়া, থানা ও জেলা- সিরাজগঞ্জ সহ আরো অনেককে ডাকিয়া উক্ত বিষয়ে জানাই ও দেখাই।
অজ্ঞাত চোর/চোরেরা ইং ১৮/০৩/২০২৪ তারিখ রাত্রি অনুমান ০৮.০০ ঘটিকা হইতে ১৯/০৩/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার মধ্যে যে কোন সময় আমার উক্ত ঔষধের দোকানের টিনের শিকল ভাঙ্গিয়া ভিতরে ঢুকিয়া মালামাল সমূহ চুরি করিয়া নিয়া গিয়াছে। উল্লেখ্য যে, বিবাদী ১। মোঃ রহমত আলী (৩৩), ২। মোঃ সামিদুল (৪০), উভয় পিতা-মোঃ আব্দুল করিম, ৩। মোঃ মানি (২২), পিতা-মোঃ আলাউদ্দিন, সরব সাং-ধুকুরিয়া, শিয়ালকোল, থানা ও জেলা-সিরাজগঞ্জ গন দীর্ঘদিন থেকে আমার সহিত বিরোধ ও শত্রুতা করিয়া আসিতেছে। ইতিপূর্বে উক্ত বিবাদীদের চাপের মুখে আমার উক্ত ঔষধের দোকান অন্য জায়গা থেকে সড়াইয়া বর্তমান জায়গায় নিয়াছি।
আমার সন্দেহ হইতেছে যে, উক্ত বিবাদীগন তাদের লোকজন সহ এই ঘটনাটি ঘটাইয়াছে। এমতাবস্থায় উল্লেখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাইতেছি। ঘটনার বিষয়ে আত্মীয় স্বজনদের সহিত পরামর্শ করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
চুরি যাওয়া মালামালের বর্ণনা ১। নগদ ৫,০০০/-টাকা। ২। মূল্যবান বিভিন্ন ব্রান্ডের ঔষধ, যার মূল্য অনুমান ৪০,০০০/- টাকা। ৩। ক্ষতিগ্রন্থ ঔষধের মূলা অনুमान ১০,০০০/- টাকা। সর্ব মোট চুরি যাওয়া মালামালের মূল্য অনুমান ৪৫,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা হয়। অন্তএব, উল্লেখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে আপনার সদয় মর্জি হয়।
Reporter Name 
















