Dhaka ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

শেষ বয়সে মানবিক সহায়তার আকুতি বৃদ্ধা রহিমার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ১২৭ Time View

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :
জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আশি ছুঁইছুঁই বৃদ্ধা রহিমা খাতুন। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা সদরের এই নারী এখন ন্যূনতম খাবার ও বস্ত্রের অভাবেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

রহিমা খাতুন জানান, তার পক্ষে নিয়মিত খাবার জোগাড় করাও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। নতুন কাপড় বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার সামর্থ্য তার নেই। তিনি বলেন, আমি অসহায় মানুষ, যা পাই তাই খেয়ে বেঁচে আছি। কেউ যদি একটু সহযোগিতা করত, তাহলে কষ্টটা কিছুটা লাঘব হতো।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই বৃদ্ধার স্বামীও কর্মক্ষম নন। পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। দুই ছেলে থাকলেও তারা খোঁজখবর নেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। একটি মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই কষ্টে দিন পার করছেন।

তিনি আরও জানান, একসময় তাদের ভিটেমাটি ও সচ্ছলতা ছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের কারণে সব বিক্রি করে দিতে হয়েছে। বর্তমানে তারা কুঠিপাড়া হাসপাতালের পুরাতন ভবনে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে আশ্রয় নিয়ে আছেন। মানুষের সহায়তায় যা পান, তা দিয়েই কোনোভাবে জীবন চলছে।

স্থানীয়রা জানান, এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের দায়িত্ব। তারা রহিমা খাতুনের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শেষ বয়সে মানবিক সহায়তার আকুতি বৃদ্ধা রহিমার

Update Time : ০২:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :
জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আশি ছুঁইছুঁই বৃদ্ধা রহিমা খাতুন। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা সদরের এই নারী এখন ন্যূনতম খাবার ও বস্ত্রের অভাবেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

রহিমা খাতুন জানান, তার পক্ষে নিয়মিত খাবার জোগাড় করাও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। নতুন কাপড় বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার সামর্থ্য তার নেই। তিনি বলেন, আমি অসহায় মানুষ, যা পাই তাই খেয়ে বেঁচে আছি। কেউ যদি একটু সহযোগিতা করত, তাহলে কষ্টটা কিছুটা লাঘব হতো।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই বৃদ্ধার স্বামীও কর্মক্ষম নন। পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। দুই ছেলে থাকলেও তারা খোঁজখবর নেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। একটি মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই কষ্টে দিন পার করছেন।

তিনি আরও জানান, একসময় তাদের ভিটেমাটি ও সচ্ছলতা ছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের কারণে সব বিক্রি করে দিতে হয়েছে। বর্তমানে তারা কুঠিপাড়া হাসপাতালের পুরাতন ভবনে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে আশ্রয় নিয়ে আছেন। মানুষের সহায়তায় যা পান, তা দিয়েই কোনোভাবে জীবন চলছে।

স্থানীয়রা জানান, এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের দায়িত্ব। তারা রহিমা খাতুনের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।