
সর্বশেষ সংবাদ
বিজ্ঞপ্তি:
পদ্মার বুকে ফসলের আবাদ চলছে মটরযান ও ঘোড়ার গাড়ী
-
Reporter Name - Update Time : ০৩:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
- ৪২৩ Time View

শফিউল আযম, পাবনা থেকেঃ
বৃহস্পতিবার শিলাইদহঘাটে গিয়ে দেখা যায় প্রমত্ত পদ্মায় পানির কোন চিহৃ নেই। যতদুর চোখ যায় বালি আর বালি। ঘাটের শুণ্যরেখা থেকে বালুচরের মাঝ দিয়ে রাস্তা করা হয়েছে। এ রাস্তার ৪ কিলোমিটার অটোভ্যানে গিয়ে নামতে হচ্ছে। তারপর বালির ওপর বেশ কিছুদুর হেটে খেয়া নৌকায় ঊঠতে হচ্ছে। খেয়া নৌকায় এক কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দিতে ৫-৬ কিলোমিটার ঘুরে তারপর শিলাইদহঘাটের ওপারে পৌঁছাতে হচ্ছে। এখানে সময় যেমন বেশি লাগছে তেমনি যাত্রিপ্রতি ভাড়াও বেশি গুনতে হচ্ছে। অটোভাড়া ৪০ টাকার সাথে খেয়া নৌকায় ৩৫ টাকা মিলে প্রতিযাত্রীর ৭৫ টাকা দিয়ে শিলাইদহ ঘাট পার হতে হচ্ছে। যেসব শ্রমিক দৈনিক পাবনায় লেবার খাটতে আসেন তাদের শুধু ঘাটপারাপারেই ১৫০ টাকা টাকা ব্যয় করতে হয়। আবার যারা এ পথে ব্যবসা করেন তারাও মালামাল পরিবহনে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ।
ঘাট এলাকার গিয়ে দেখা যায় একের পর এক ট্রাক চরের মধ্যে ঢুকছে বালিবোঝাই করে আবার ফিরছে। বালিতোলায় নদীর বুকে অসংখ্য খালের সৃষ্টি হয়েছে। প্রভাবশালী ভাটামালিকরা প্রতিদিন ট্রাকবোঝাই করে বালুমাটি তোলায় নদীর স্বাভাবিকত্ব নষ্ট করা হচ্ছে তেমনি আগামী বর্ষায় নদীর ভাঙ্গন সৃষ্টির শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে বলে নদীতীরের সাধারণ অধিবাসীরা জানান। পদ্মা শুকিয়ে যাওয়ায় দুপারের জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। কয়েকবছর আগেও যারা নৌকার মাঝি বা জেলে ছিলো তারা এখন ইটভাটাশ্রমিক ,অটোড্রাইভারসহ বিভিন্ন পেশায় জীবন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে মরানদীতে এখন মাছশুন্য যেমন হয়েছে তেমনি জীববৈচিত্র ও ধংসপ্রায়। নদীপারের বাসিন্দারা জানান কয়েক বছর আগেও এ শীতমৌসুমে নদীতে বালিহাস, চখাসহ অসংখ্য প্রজাতির অতিথি পাখির কলকাকলিতে ভরপুর ছিলো এখন কোন পাখিই আর নেই। নদীতে পানি না থাকায় তীরবর্তী জমির ফসলচাষেও মারাত্বক প্রভাব ফেলেছে। পানিরস্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এখন তেমন ফসলও হয় না। শুধু তাই নয় নদীতীরের গ্রামগুলির খাবার পানি নিয়েও দিন দিন সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।
Tag :
Popular Post




















