Dhaka ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার বেড়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শোকজ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার রায়গঞ্জে নারী-শিশু সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে ১ হাজার টাকার বিরোধে যুবক হত্যা, ৮ মাস পর র‌্যাবের হাতে পলাতক আসামি গ্রেফতার  রায়গঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলা কিউআর ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে বেড়ায় পূবালী ব্যাংকের র‍্যালি ও সভা
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

কচুরিপানার স্তূপে ফুলজোড় নদী এখন বিনোদনের কেন্দ্র, স্থানীয়দের চোখে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানও

oplus_2097152

স্বদেশের খবর ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় ফুলজোড় নদীতে জমে থাকা বিশাল কচুরিপানার স্তূপ এখন দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, এটি যেমন বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, তেমনি যেকোনো সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

নদীর মাঝামাঝি অংশজুড়ে বিস্তৃত কচুরিপানার ওপর গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান। প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় কয়েক দিন ধরে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা এক জায়গায় জমে বড় আকার ধারণ করে। পরে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী সেখানে চা, চানাচুর, ফুচকা ও বিভিন্ন খাবারের দোকান বসান। বিষয়টি এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি করলে ধীরে ধীরে সেটি দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

বিকেল হলেই নদীর দুই পাড় ও কচুরিপানার স্তূপজুড়ে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, তরুণদের ছবি ও ভিডিও ধারণ, পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের ভিড়ে এলাকাটি এখন অনেকটা অস্থায়ী বিনোদনকেন্দ্রের রূপ নিয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করায় কৌতূহল আরও বাড়ছে।

তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি যেমন মানুষের কাছে নতুন এক বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, তেমনি যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। কচুরিপানার নিচে নদীর গভীরতা ও পানির প্রবাহ বোঝা না যাওয়ায় অসতর্ক চলাচলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মফিজুল ইসলাম দলু বলেন, নদীর ওপর এমন কচুরিপানার স্তূপ আগে খুব একটা দেখা যায়নি। তাই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ এটি দেখতে আসছেন।

ছাত্রনেতা মো. মেহেদী হাসান বলেন, একদিকে এটি মানুষের বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ অতিরিক্ত মানুষের চলাচল ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবী আল আমিন বলেন, কচুরিপানার স্তূপের নিচে নদীর গভীরতা বোঝা যায় না। তাই অসতর্কভাবে চলাচল করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকা উচিত।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সিয়াম বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ প্রয়োজন। একই সঙ্গে জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার

কচুরিপানার স্তূপে ফুলজোড় নদী এখন বিনোদনের কেন্দ্র, স্থানীয়দের চোখে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানও

Update Time : ০৭:১৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

স্বদেশের খবর ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় ফুলজোড় নদীতে জমে থাকা বিশাল কচুরিপানার স্তূপ এখন দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, এটি যেমন বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, তেমনি যেকোনো সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

নদীর মাঝামাঝি অংশজুড়ে বিস্তৃত কচুরিপানার ওপর গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান। প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় কয়েক দিন ধরে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা এক জায়গায় জমে বড় আকার ধারণ করে। পরে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী সেখানে চা, চানাচুর, ফুচকা ও বিভিন্ন খাবারের দোকান বসান। বিষয়টি এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি করলে ধীরে ধীরে সেটি দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

বিকেল হলেই নদীর দুই পাড় ও কচুরিপানার স্তূপজুড়ে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, তরুণদের ছবি ও ভিডিও ধারণ, পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের ভিড়ে এলাকাটি এখন অনেকটা অস্থায়ী বিনোদনকেন্দ্রের রূপ নিয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করায় কৌতূহল আরও বাড়ছে।

তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি যেমন মানুষের কাছে নতুন এক বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, তেমনি যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। কচুরিপানার নিচে নদীর গভীরতা ও পানির প্রবাহ বোঝা না যাওয়ায় অসতর্ক চলাচলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মফিজুল ইসলাম দলু বলেন, নদীর ওপর এমন কচুরিপানার স্তূপ আগে খুব একটা দেখা যায়নি। তাই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ এটি দেখতে আসছেন।

ছাত্রনেতা মো. মেহেদী হাসান বলেন, একদিকে এটি মানুষের বিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ অতিরিক্ত মানুষের চলাচল ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবী আল আমিন বলেন, কচুরিপানার স্তূপের নিচে নদীর গভীরতা বোঝা যায় না। তাই অসতর্কভাবে চলাচল করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকা উচিত।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সিয়াম বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ প্রয়োজন। একই সঙ্গে জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।