
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদী, বিল ও জলাশয়ে ২৮৫ দশমিক ৭২ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সলঙ্গার ঐতিহ্যবাহী গাড়াদহ নদীতে সরকারি উদ্যোগে প্রথমবারের মতো পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাতটি জলাশয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জলাশয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আশরাফুল উলুম ষোল মাইল হাফিজিয়া মাদ্রাসার পুকুর, ফুলজোড় নদী, উপজেলা পরিষদ পুকুর, রায়গঞ্জ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের পুকুর, ইছামতি নদীর পাঙ্গাসী ব্রিজসংলগ্ন এলাকা, দুবলা গাড়ি বিল ও সলঙ্গার গাড়াদহ নদী।
পোনামাছ অবমুক্ত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ সরকার, সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন, থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হারুনার রশিদ হিরন ও সদস্যসচিব সুলতান মাহমুদ সুজনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। কর্মসূচির আওতায় ফুলজোড় নদীতে ৫৫ কেজি, ইছামতি নদীতে ৭০ কেজি এবং সলঙ্গার গাড়াদহ নদীতে ৪৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়। অবশিষ্ট পোনামাছ অন্যান্য জলাশয়ে ছাড়া হয়।
রায়গঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, জলাশয়ে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যেই বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সলঙ্গার গাড়াদহ নদীতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবারই প্রথম পোনামাছ অবমুক্ত করা হলো। এর ফলে নদীটির মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Reporter Name 








