
আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ
সিরাজগঞ্জে “নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় নীতিমালা প্রণয়ন ও বিদ্যমান পলিসির বাস্তবায়ন বিষয়ক মাল্টি-স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) সকালে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ.কে.এম. আনোয়ারুল হক। কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রকল্প (আরএমটিপি), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ইফাদের আর্থিক সহযোগিতায়।
অনুষ্ঠানে সদ্য যোগদানকৃত সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমির হামজাকে বরণ এবং বিদায়ী জেলা কৃত্রিম প্রজনন উপপরিচালক ডা. মো. তোফাজ্জল হোসেনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
আরএমটিপি প্রকল্প ম্যানেজার মো. মাসুদ মণ্ডল পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিট প্রসেসিং প্লান্ট উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যত্রতত্র পশু জবাইয়ের ফলে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে— এ বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।”
সভাপতির বক্তব্যে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, “আগে গর্ভবতী বা অসুস্থ গবাদিপশু জবাই হতো, এখন বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার পর অনুমতি দেওয়া হয়। উদ্যোক্তারা চাইলে নিজস্ব জমিতে আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু করতে পারেন— প্রাণিসম্পদ বিভাগ সহায়তা দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “রেডি ফিডের দাম বৃদ্ধি খামারিদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় খাদ্য ও সাইলেজ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে, এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে।”
কর্মশালায় বেঙ্গল মিট, রেনেটা অলটেক, আমান ফিড, নারিশ ফিড, প্রাণিসেবা, গ্যাপ ট্রেইনার, এলএসপি, লিড খামারি, দুগ্ধ ও মাংস উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
শেষে সভাপতি বলেন, “এলএসপি সদস্যরা গবাদিপশু উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। এনডিপি ও আরএমটিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।”
Reporter Name 


















