Dhaka ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার বেড়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শোকজ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার রায়গঞ্জে নারী-শিশু সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে ১ হাজার টাকার বিরোধে যুবক হত্যা, ৮ মাস পর র‌্যাবের হাতে পলাতক আসামি গ্রেফতার  রায়গঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলা কিউআর ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে বেড়ায় পূবালী ব্যাংকের র‍্যালি ও সভা
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধ পণ্যের নীতিমালা উন্নয়নে সিরাজগঞ্জে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬২১ Time View

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জে “নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় নীতিমালা প্রণয়ন ও বিদ্যমান পলিসির বাস্তবায়ন বিষয়ক মাল্টি-স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) সকালে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ.কে.এম. আনোয়ারুল হক। কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রকল্প (আরএমটিপি), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ইফাদের আর্থিক সহযোগিতায়।

অনুষ্ঠানে সদ্য যোগদানকৃত সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমির হামজাকে বরণ এবং বিদায়ী জেলা কৃত্রিম প্রজনন উপপরিচালক ডা. মো. তোফাজ্জল হোসেনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

আরএমটিপি প্রকল্প ম্যানেজার মো. মাসুদ মণ্ডল পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিট প্রসেসিং প্লান্ট উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যত্রতত্র পশু জবাইয়ের ফলে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে— এ বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।”

সভাপতির বক্তব্যে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, “আগে গর্ভবতী বা অসুস্থ গবাদিপশু জবাই হতো, এখন বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার পর অনুমতি দেওয়া হয়। উদ্যোক্তারা চাইলে নিজস্ব জমিতে আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু করতে পারেন— প্রাণিসম্পদ বিভাগ সহায়তা দেবে।”

তিনি আরও বলেন, “রেডি ফিডের দাম বৃদ্ধি খামারিদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় খাদ্য ও সাইলেজ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে, এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে।”

কর্মশালায় বেঙ্গল মিট, রেনেটা অলটেক, আমান ফিড, নারিশ ফিড, প্রাণিসেবা, গ্যাপ ট্রেইনার, এলএসপি, লিড খামারি, দুগ্ধ ও মাংস উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

শেষে সভাপতি বলেন, “এলএসপি সদস্যরা গবাদিপশু উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। এনডিপি ও আরএমটিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার

নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধ পণ্যের নীতিমালা উন্নয়নে সিরাজগঞ্জে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জে “নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় নীতিমালা প্রণয়ন ও বিদ্যমান পলিসির বাস্তবায়ন বিষয়ক মাল্টি-স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) সকালে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ.কে.এম. আনোয়ারুল হক। কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রকল্প (আরএমটিপি), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ইফাদের আর্থিক সহযোগিতায়।

অনুষ্ঠানে সদ্য যোগদানকৃত সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমির হামজাকে বরণ এবং বিদায়ী জেলা কৃত্রিম প্রজনন উপপরিচালক ডা. মো. তোফাজ্জল হোসেনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

আরএমটিপি প্রকল্প ম্যানেজার মো. মাসুদ মণ্ডল পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিট প্রসেসিং প্লান্ট উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যত্রতত্র পশু জবাইয়ের ফলে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে— এ বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।”

সভাপতির বক্তব্যে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, “আগে গর্ভবতী বা অসুস্থ গবাদিপশু জবাই হতো, এখন বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার পর অনুমতি দেওয়া হয়। উদ্যোক্তারা চাইলে নিজস্ব জমিতে আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু করতে পারেন— প্রাণিসম্পদ বিভাগ সহায়তা দেবে।”

তিনি আরও বলেন, “রেডি ফিডের দাম বৃদ্ধি খামারিদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় খাদ্য ও সাইলেজ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে, এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে।”

কর্মশালায় বেঙ্গল মিট, রেনেটা অলটেক, আমান ফিড, নারিশ ফিড, প্রাণিসেবা, গ্যাপ ট্রেইনার, এলএসপি, লিড খামারি, দুগ্ধ ও মাংস উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

শেষে সভাপতি বলেন, “এলএসপি সদস্যরা গবাদিপশু উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। এনডিপি ও আরএমটিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।”