Dhaka ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার বেড়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শোকজ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার রায়গঞ্জে নারী-শিশু সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে ১ হাজার টাকার বিরোধে যুবক হত্যা, ৮ মাস পর র‌্যাবের হাতে পলাতক আসামি গ্রেফতার  রায়গঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলা কিউআর ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে বেড়ায় পূবালী ব্যাংকের র‍্যালি ও সভা
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com
ইজারা নিয়ে বারবার সৃষ্টি হয় হামলা প্রতি হামলা

রাজশাহীর বিলসূতির বিল।। জীবন-জীবিকা যেখানে থমকে গেছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ৩১৬ Time View

পাভেল ইসলাম মিমুল

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দ্বীপপুর গ্রামের “বিলসূতি বিল (বদ্ধ)” ইজারা নিয়ে বারংবার সন্ত্রাসীদের আক্রমনের স্বীকার হতে হচ্ছে ইজারা নেয়া ঐ গ্রামের আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্য অসহায় মৎস্যচাষীদের। সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি, মারধোর, সমিতির মালামাল লুট, কৃষি যন্ত্রপাতিতে অগ্নিসংযোগ করে চলেছে। এমনকি ইজারা নেয়া বিলে কাউকে নামতেও দিচ্ছে না তারা, নামলে প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছে ঐসব সন্ত্রাসীরা। এ অবস্থায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে বিলসূতির বিলে, মৎস্যজীবীদের জীবনে অজানা আশংকায় নেমে এসছে স্থবিরতা। থেমে গেছে জীবন-জীবিকা।

রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার “আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড”র আবেদনের প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রণালয় গত ১৭ আগষ্ট-২৩ বাগমারা উপজেলার “বিলসূতি বিল (বদ্ধ)” জলমহালটি বাংলা ১লা বৈশাখ ১৪৩১ থেকে ৩০ চৈত্র ১৪৩৬ পর্যন্ত ৬ বছর মেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পে আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডকে ইজারা প্রদান করে। পরবর্তীতে জলমহালটির ১৪৩১ বঙ্গাব্দের ইজারা মূল্য বাবদ নগদ ৪০ লাখ, ভ্যাট ও আয়করসহ সর্বমোট ৫০ লাখ টাকা ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পরিশোধ করে। মাছ চাষ করার কার্যক্রম শুরু করার সময় একই গ্রামের জাহেদুল ইসলাম বাচ্চু সমিতির সভাপতির কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।

চাঁদাদিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৭ এপ্রিল-২৫ রাত ৮ টায় ইজারা নেয়া মাছ চাষীরা বিলসূতি বিলে গিয়ে দেখেন আনুমানিক ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী বড় বড় বেড় জাল নিয়ে বিলে থাকা রুই, জাপানি, ব্রিগেড, সিলভারকার্প-সহ বিভিন্ন জাতের আনুমানিক ৪০০ মন মাছ যার মূল্য আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকা ধরে নেয়। বড় বড় হাড়িতে করে মাছগুলি কয়েকটি শ্যালো গাড়িতে করে আত্রাই-এর দিকে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়।

মাছ ধরার পরে মোঃ জনি,আজিবর রহমান,শাহিনুর, এমাত ও বাক্কার তাদের হাতে থাকা লোহার সাবল দিয়ে পানি সেচের স্যালো মেশিন ভেঙ্গে ফেলে,যাতে ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আসামীদের হাতে অস্ত্র থাকায় মাছচাষীরা বাধা দিতে সাহস করেনি। এদিকে বিল থেকে উঠে এসে আক্কাস মৃধা’র ছেলে সাগর আলী (৫৩) অফিস ঘরে আগুন দেয়। জাফর আলী, জমিন উদ্দিন ও এরশাদ নামে তিনজন পেট্রোল ঢেলে দেয়। এসময় আগুনে বিলের হিসাবের খাতা, ১টি মোটরসাইকেল ও চেয়ার টেবিল পুড়ে যায়। ফলে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আগুন দেওয়ার আগে নজরুল ইসলাম নামে একজন সমিতির ড্রয়ার থেকে ৫১ হাজার টাকা নিয়ে নেয়৷ এরকম ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভূক্তভোগী সমিতির সভাপতি ইসলাম সরদার বাগমারা থানায় ২২ এপ্রিল-২৫ অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এদিকে,গত ৭ এপ্রিল এ বিষয়ে বাগমারারইউএনওমাহবুবুল ইসলাম উদ্ভুত পরিস্থিতির সমস্যা সমাধানে এক অফিস আদেশে, ইজারাকৃত ৪৩২.২৪ একর বিলে ইজারাদার ব্যতীত অন্য কেউ অনুপ্রবেশ করবে না, ইজারাদার জাল নিয়ে ইজারাকৃত বিলের চারপাশে বাউন্ডারি দিবে এবং লাল পতাকার মাধ্যমে ইজারাকৃত অংশ চিহ্নিত করবেন এরকম ৬টি সিদ্ধান্ত জানান৷ এতে শর্ত ভঙ্গ করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা রয়েছে।

ভুক্তভোগী আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড’র সভাপতি ইসলাম সরদার বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও বাগমারা থানা আমাদের সব কাগজ পত্র ও আইনগত বিষয় ঠিকঠাক অবস্থায় আছে বলে মত দিচ্ছেন। কিন্ত এর আগে সন্ত্রাসী হামলা,লুট,অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকি দাতা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কোন বিচার হচ্ছে না। ফলে তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এখন আমরা বিলে যেতে পারছি না, গেলেই প্রাণনাশের মত বড় ঘটনা ঘটে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে ইতোপূর্বে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিচার চাই আর আমাদেরকে দ্রুত মাছ ধরার কাজে প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপের নিরাপত্তা চাই। মাছ ধরতে না পারলে চাষীদের না খেয়ে মরার মত অবস্থা হবে।

জানতে চাইলে মামলার ১ নং আসামী জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে মামলার বিবরণ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা চাই মামলাটির সঠিক তদন্ত হোক। যদি আমরা দোষী হই তাহলে সাজা হোক আর বিষয়টি মিথ্যা প্রমানিত হলে মিথ্যা মামলা দেয়ায় প্রশাসনের কাছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।

কথা বললে বাগমারা থানার ওসি মোহা: তৌহিদুল ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে বাগমারার ইউএনও মাহবুবুল ইসলাম বলেন, সমস্যাটি দীর্ঘদিনের।উভয় পক্ষকে সহনশীল থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বারংবার উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছে। সেনা বাহিনীর প্রতিনিধি,বাগমারা থানার ওসি ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে আলোচনা করে গত ৭ এপ্রিল কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিখিত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরেও যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাগমারার প্রশাসন সতর্ক দৃষ্টিতে রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার

ইজারা নিয়ে বারবার সৃষ্টি হয় হামলা প্রতি হামলা

রাজশাহীর বিলসূতির বিল।। জীবন-জীবিকা যেখানে থমকে গেছে

Update Time : ০১:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

পাভেল ইসলাম মিমুল

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দ্বীপপুর গ্রামের “বিলসূতি বিল (বদ্ধ)” ইজারা নিয়ে বারংবার সন্ত্রাসীদের আক্রমনের স্বীকার হতে হচ্ছে ইজারা নেয়া ঐ গ্রামের আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্য অসহায় মৎস্যচাষীদের। সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি, মারধোর, সমিতির মালামাল লুট, কৃষি যন্ত্রপাতিতে অগ্নিসংযোগ করে চলেছে। এমনকি ইজারা নেয়া বিলে কাউকে নামতেও দিচ্ছে না তারা, নামলে প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছে ঐসব সন্ত্রাসীরা। এ অবস্থায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে বিলসূতির বিলে, মৎস্যজীবীদের জীবনে অজানা আশংকায় নেমে এসছে স্থবিরতা। থেমে গেছে জীবন-জীবিকা।

রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার “আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড”র আবেদনের প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রণালয় গত ১৭ আগষ্ট-২৩ বাগমারা উপজেলার “বিলসূতি বিল (বদ্ধ)” জলমহালটি বাংলা ১লা বৈশাখ ১৪৩১ থেকে ৩০ চৈত্র ১৪৩৬ পর্যন্ত ৬ বছর মেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পে আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডকে ইজারা প্রদান করে। পরবর্তীতে জলমহালটির ১৪৩১ বঙ্গাব্দের ইজারা মূল্য বাবদ নগদ ৪০ লাখ, ভ্যাট ও আয়করসহ সর্বমোট ৫০ লাখ টাকা ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পরিশোধ করে। মাছ চাষ করার কার্যক্রম শুরু করার সময় একই গ্রামের জাহেদুল ইসলাম বাচ্চু সমিতির সভাপতির কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।

চাঁদাদিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৭ এপ্রিল-২৫ রাত ৮ টায় ইজারা নেয়া মাছ চাষীরা বিলসূতি বিলে গিয়ে দেখেন আনুমানিক ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী বড় বড় বেড় জাল নিয়ে বিলে থাকা রুই, জাপানি, ব্রিগেড, সিলভারকার্প-সহ বিভিন্ন জাতের আনুমানিক ৪০০ মন মাছ যার মূল্য আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকা ধরে নেয়। বড় বড় হাড়িতে করে মাছগুলি কয়েকটি শ্যালো গাড়িতে করে আত্রাই-এর দিকে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়।

মাছ ধরার পরে মোঃ জনি,আজিবর রহমান,শাহিনুর, এমাত ও বাক্কার তাদের হাতে থাকা লোহার সাবল দিয়ে পানি সেচের স্যালো মেশিন ভেঙ্গে ফেলে,যাতে ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আসামীদের হাতে অস্ত্র থাকায় মাছচাষীরা বাধা দিতে সাহস করেনি। এদিকে বিল থেকে উঠে এসে আক্কাস মৃধা’র ছেলে সাগর আলী (৫৩) অফিস ঘরে আগুন দেয়। জাফর আলী, জমিন উদ্দিন ও এরশাদ নামে তিনজন পেট্রোল ঢেলে দেয়। এসময় আগুনে বিলের হিসাবের খাতা, ১টি মোটরসাইকেল ও চেয়ার টেবিল পুড়ে যায়। ফলে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আগুন দেওয়ার আগে নজরুল ইসলাম নামে একজন সমিতির ড্রয়ার থেকে ৫১ হাজার টাকা নিয়ে নেয়৷ এরকম ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভূক্তভোগী সমিতির সভাপতি ইসলাম সরদার বাগমারা থানায় ২২ এপ্রিল-২৫ অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এদিকে,গত ৭ এপ্রিল এ বিষয়ে বাগমারারইউএনওমাহবুবুল ইসলাম উদ্ভুত পরিস্থিতির সমস্যা সমাধানে এক অফিস আদেশে, ইজারাকৃত ৪৩২.২৪ একর বিলে ইজারাদার ব্যতীত অন্য কেউ অনুপ্রবেশ করবে না, ইজারাদার জাল নিয়ে ইজারাকৃত বিলের চারপাশে বাউন্ডারি দিবে এবং লাল পতাকার মাধ্যমে ইজারাকৃত অংশ চিহ্নিত করবেন এরকম ৬টি সিদ্ধান্ত জানান৷ এতে শর্ত ভঙ্গ করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা রয়েছে।

ভুক্তভোগী আদর্শ মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড’র সভাপতি ইসলাম সরদার বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও বাগমারা থানা আমাদের সব কাগজ পত্র ও আইনগত বিষয় ঠিকঠাক অবস্থায় আছে বলে মত দিচ্ছেন। কিন্ত এর আগে সন্ত্রাসী হামলা,লুট,অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকি দাতা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কোন বিচার হচ্ছে না। ফলে তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এখন আমরা বিলে যেতে পারছি না, গেলেই প্রাণনাশের মত বড় ঘটনা ঘটে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে ইতোপূর্বে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিচার চাই আর আমাদেরকে দ্রুত মাছ ধরার কাজে প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপের নিরাপত্তা চাই। মাছ ধরতে না পারলে চাষীদের না খেয়ে মরার মত অবস্থা হবে।

জানতে চাইলে মামলার ১ নং আসামী জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে মামলার বিবরণ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা চাই মামলাটির সঠিক তদন্ত হোক। যদি আমরা দোষী হই তাহলে সাজা হোক আর বিষয়টি মিথ্যা প্রমানিত হলে মিথ্যা মামলা দেয়ায় প্রশাসনের কাছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।

কথা বললে বাগমারা থানার ওসি মোহা: তৌহিদুল ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে বাগমারার ইউএনও মাহবুবুল ইসলাম বলেন, সমস্যাটি দীর্ঘদিনের।উভয় পক্ষকে সহনশীল থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বারংবার উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছে। সেনা বাহিনীর প্রতিনিধি,বাগমারা থানার ওসি ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে আলোচনা করে গত ৭ এপ্রিল কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিখিত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরেও যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাগমারার প্রশাসন সতর্ক দৃষ্টিতে রয়েছে।