Dhaka ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং রায়গঞ্জে গোয়ালঘর থেকে এক রাতে ৬ গরু চুরি তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮ গরু চুরি রায়গঞ্জে সিএনজি রাখার নামে ১০ টাকা চাঁদা, গ্রেপ্তার ১ ত্যাগীদের মূল্যায়নে সলঙ্গার ঘুড়কা ইউনিয়ন শ্রমিক দল গড়ছেন সভাপতি আবু সাইদ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রায়গঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাজেদ ডেঙ্গু আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া রায়গঞ্জে ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম  সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাড়ির গ্যাস রাইজারে আগুন
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

ব্রীজ থাকলেও নেই যোগাযোগ ব্যবস্থা : ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
  • ৪৩৮ Time View

মোঃ তুষার আহমেদ:

দীর্ঘ ১৬ বছর গেল, কেউ কথা রাখেনি , ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল ,শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবে,তারপর কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা চলে গেলো, কিন্তু সেই বোষ্টুমী আর এলোনা প্রায় ১৬ ধরে বছর প্রতিক্ষায় আছি, আক্ষেপ করে এমনটাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কবিতা আবৃত্তি করে বলছিলেন একজন ভুক্তভোগী ব্রিজটি নিয়ে জন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য।

বলছিলাম ১ম শ্রেণীর সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার কথা। পৌর এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে ব্রীজ আছে নেই সংযোগ সড়ক। এতে ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় পাঁচ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুটি জোরা ব্রিজ থাকা সত্তেও প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বিলের উভয় পারের মানুষের জনদুর্ভোগ লাঘবের চেষ্টায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করতে হয়। প্রায় ১৬ বছর আগে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নেওয়ারগাছা গ্রামের প্রায় ৫০০ মিটার চওড়া বিলের মাঝখানে পাশাপাশি ৫ মিটার দৈর্ঘের দুটি ব্রীজ নির্মান করে উল্লাপাড়া পৌর কতৃপক্ষ। একটির উপর ছাদ বসেছে, অপরটিতে বসেনি । সংযোগ সড়ক নির্মান না করায় বিলের দুই পাড়ের পূর্ব পাড়ে নতুন নেওয়ারগাছা সরকারি প্রার্থমীক বিদ্যালয় ও পশ্চিম পাড়ে জহুরা মহিউদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে হেঁটে যাওয়া আসা করে। এছাড়াও বিলের পূর্ব পারে আল নূর মসজিদ হওয়ায় বিলের পশ্চিম পারের মুছুল্লিদের বর্ষা মৌসুমে পারাপারে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ দুর্ভোগ লাগবের জন্য গ্রামবাসী নিজ অর্থায়নে বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছে। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভার অনেক জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি নির্মাণে অনেকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেননি।স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান , ব্রিজটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হন শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।
নেওয়ারগাছা গ্রামের মো. আলমাহমুদ জানান,ব্রিজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে চার গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সাফিউল কবির জানান,মেয়ের সাথে কথা বলে ব্রীজটির দুই পার্শ্বে দ্রুত মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম জানান,বিষয়টি শুনেছি। জনগনের সুবিধার্থে দ্রুত সংযোগ সড়কটিতে মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং

ব্রীজ থাকলেও নেই যোগাযোগ ব্যবস্থা : ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

Update Time : ০২:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪

মোঃ তুষার আহমেদ:

দীর্ঘ ১৬ বছর গেল, কেউ কথা রাখেনি , ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল ,শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবে,তারপর কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা চলে গেলো, কিন্তু সেই বোষ্টুমী আর এলোনা প্রায় ১৬ ধরে বছর প্রতিক্ষায় আছি, আক্ষেপ করে এমনটাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কবিতা আবৃত্তি করে বলছিলেন একজন ভুক্তভোগী ব্রিজটি নিয়ে জন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য।

বলছিলাম ১ম শ্রেণীর সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার কথা। পৌর এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে ব্রীজ আছে নেই সংযোগ সড়ক। এতে ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় পাঁচ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

পাশাপাশি দুটি জোরা ব্রিজ থাকা সত্তেও প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বিলের উভয় পারের মানুষের জনদুর্ভোগ লাঘবের চেষ্টায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করতে হয়। প্রায় ১৬ বছর আগে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নেওয়ারগাছা গ্রামের প্রায় ৫০০ মিটার চওড়া বিলের মাঝখানে পাশাপাশি ৫ মিটার দৈর্ঘের দুটি ব্রীজ নির্মান করে উল্লাপাড়া পৌর কতৃপক্ষ। একটির উপর ছাদ বসেছে, অপরটিতে বসেনি । সংযোগ সড়ক নির্মান না করায় বিলের দুই পাড়ের পূর্ব পাড়ে নতুন নেওয়ারগাছা সরকারি প্রার্থমীক বিদ্যালয় ও পশ্চিম পাড়ে জহুরা মহিউদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে হেঁটে যাওয়া আসা করে। এছাড়াও বিলের পূর্ব পারে আল নূর মসজিদ হওয়ায় বিলের পশ্চিম পারের মুছুল্লিদের বর্ষা মৌসুমে পারাপারে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ দুর্ভোগ লাগবের জন্য গ্রামবাসী নিজ অর্থায়নে বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছে। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভার অনেক জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি নির্মাণে অনেকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেননি।স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান , ব্রিজটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হন শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।
নেওয়ারগাছা গ্রামের মো. আলমাহমুদ জানান,ব্রিজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে চার গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সাফিউল কবির জানান,মেয়ের সাথে কথা বলে ব্রীজটির দুই পার্শ্বে দ্রুত মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম জানান,বিষয়টি শুনেছি। জনগনের সুবিধার্থে দ্রুত সংযোগ সড়কটিতে মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।