Dhaka ০১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রায়গঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল রায়গঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পানশী নৌকা বাইচ উপলক্ষে স্থান পরিদর্শন ও প্রস্তুতিমূলক সভা তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির রাস্তার কাজ বন্ধ, ভোগান্তিতে ২৫ পরিবারের বাসিন্দা প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুমুল আলোচনা, এআই দাবি ও পাল্টা অনুসন্ধানে নতুন বিতর্ক বেলকুচিকে মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার বেড়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শোকজ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪
  • ৫১৮ Time View

আমদানি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ছে। এ সময়ে কারেন্সি সোয়াপের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডলার রেখে টাকা নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে।

বুধবার রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা গত সোমবার ২০ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর আগে গত সপ্তাহে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। গত মাসেই তা ১৯ বিলিয়নের ঘরে ছিল। অবশ্য আগামী সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) এক বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধের পর রিজার্ভ আবার কমবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল। বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে ওই সময় রিজার্ভ বাড়ানো হয়। এরপর সংকটের কারণে ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে কমতে–কমতে গত নভেম্বর শেষে ১৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। এরপর আবারও বেড়ে ডিসেম্বরে ২১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন হয়। তবে জানুয়ারি শেষে আবার কমে ১৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। এখন সোয়াপের ফলে রিজার্ভ ফের বাড়ছে।

ব্যাংকাররা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা অনিশ্চয়তার কারণে প্রবাসী কিংবা রপ্তানিকারকদের অনেকে ডলার ধরে রাখছিলেন। এসব ডলার দেশে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ডিসেম্বরে এক নির্দেশনার মাধ্যমে রেমিট্যান্সের সুবিধাভোগীর নামেও বৈদেশিক মুদ্রায় অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। এর বিপরীতে সুদ মিলছে ৭ থেকে ৯ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ থেকে দেশে ফিরে আরএফসিডি অ্যাকাউন্ট খুললে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত রেখে ৭ শতাংশের বেশি সুদ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে দেশে অর্থ আনতে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকিং চ্যানেলে ৪২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৬ কোটি ডলার বা ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুর দিকে রেমিট্যান্স কম থাকায় অর্থবছরের ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী আয় বেড়েছে মাত্র ১০৫ কোটি ডলার বা ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময় প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৫০৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৪০১ কোটি ডলার।রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ৮ মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। আবার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানি কমিয়ে রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ মাসে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ১৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত অর্থবছর আমদানি কমেছিল ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। কারেন্সি সোয়াপ নীতিমালার আওতায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কয়েকটি ব্যাংক প্রায় ৭৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রেখেছে। এ ছাড়াও কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না বললেই চলে। সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রায়গঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার

Update Time : ১২:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪

আমদানি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ছে। এ সময়ে কারেন্সি সোয়াপের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডলার রেখে টাকা নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে।

বুধবার রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা গত সোমবার ২০ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর আগে গত সপ্তাহে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। গত মাসেই তা ১৯ বিলিয়নের ঘরে ছিল। অবশ্য আগামী সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) এক বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধের পর রিজার্ভ আবার কমবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল। বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে ওই সময় রিজার্ভ বাড়ানো হয়। এরপর সংকটের কারণে ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে কমতে–কমতে গত নভেম্বর শেষে ১৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। এরপর আবারও বেড়ে ডিসেম্বরে ২১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন হয়। তবে জানুয়ারি শেষে আবার কমে ১৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। এখন সোয়াপের ফলে রিজার্ভ ফের বাড়ছে।

ব্যাংকাররা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা অনিশ্চয়তার কারণে প্রবাসী কিংবা রপ্তানিকারকদের অনেকে ডলার ধরে রাখছিলেন। এসব ডলার দেশে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ডিসেম্বরে এক নির্দেশনার মাধ্যমে রেমিট্যান্সের সুবিধাভোগীর নামেও বৈদেশিক মুদ্রায় অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। এর বিপরীতে সুদ মিলছে ৭ থেকে ৯ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ থেকে দেশে ফিরে আরএফসিডি অ্যাকাউন্ট খুললে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত রেখে ৭ শতাংশের বেশি সুদ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে দেশে অর্থ আনতে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকিং চ্যানেলে ৪২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৬ কোটি ডলার বা ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুর দিকে রেমিট্যান্স কম থাকায় অর্থবছরের ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী আয় বেড়েছে মাত্র ১০৫ কোটি ডলার বা ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময় প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৫০৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৪০১ কোটি ডলার।রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ৮ মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। আবার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানি কমিয়ে রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ মাসে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ১৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত অর্থবছর আমদানি কমেছিল ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। কারেন্সি সোয়াপ নীতিমালার আওতায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কয়েকটি ব্যাংক প্রায় ৭৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রেখেছে। এ ছাড়াও কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না বললেই চলে। সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।