
পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শৌকরি এ আশার কথা শুনিয়েছেন।
রয়টার্স জানায়, আন্তর্জাতিক জোট আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গেছেন শৌকরি। সেখানে গত শুক্রবার এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে পারি যে এই যুদ্ধের সব পক্ষ, অর্থাৎ আমরা সবাই ইতিমধ্যে সমঝোতার একটি পয়েন্টে পৌঁছাতে পেরেছি। আশা করছি, রমজানের আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি হস্তান্তর শুরু হবে।’
সামেহ শৌকরি জানান, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হতে পারে ১০ কিংবা ১১ মার্চ। এ সময়েই রমজানের শুরু হতে পারে। এই যুদ্ধবিরতি হলে ৪০ দিনের জন্য গাজায় অভিযান বন্ধ রাখবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং সেখানে প্রতিদিন প্রবেশ করবে ত্রাণ ও খাদ্যপণ্যবাহী ট্রাক। সেই সঙ্গে প্রতি ইসরায়েলি জিম্মির বিনিময়ে ১০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
চার মাসের বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭০ হাজার। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় বাড়িঘর হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে আরও লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।
আল জাজিরা জানিয়েছে, গতকাল গাজার দেইর এল-বালাহ এবং জাবালিয়া এলাকায় তিনটি বাড়ি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় অন্তত ১৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে।
এর আগে খাদ্য সহায়তার অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর গত বৃহস্পতিবার হামলার ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে জাতিসংঘের একটি দল। তাঁরা জানিয়েছেন, হামলায় আহত অনেককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখা গেছে।
Reporter Name 



















