Dhaka ০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিরাপত্তার স্বার্থে ঠাকুর দীঘির কুমির স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, যাচ্ছে করমজলে পাবনায় পদ্মা নদী থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার রায়গঞ্জে আলোচিত প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার রায়গঞ্জে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ রায়গঞ্জে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন কাজিপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: ৪ সিএনজি চালককে জরিমানা পাবনায় বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ইরান ও ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপ ছিল ভুল সিদ্ধান্ত: ডোনাল্ড ট্রাম্প রায়গঞ্জ ক্লাবের উদ্যোগে এমপি ভিপি আয়নুল হককে সংবর্ধনা
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

ইরান ও ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপ ছিল ভুল সিদ্ধান্ত: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৬:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ২৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের জড়ানো উচিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া সামরিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শনিবার (৩০ মে) ফক্স নিউজে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরাক যুদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ভুল। তিনি বলেন, ইরাক নিয়ে যা হয়েছে, আমরা খুবই খারাপ করেছি। এটি ছিল বোকামি। আমাদের সেখানে থাকা উচিত ছিল না।

ইরান প্রসঙ্গেও একই ধরনের মন্তব্য করে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের ইরানেও যাওয়া উচিত হয়নি।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সক্ষমতা ও সম্ভাব্য হুমকির বিষয়টি উপেক্ষা করার সুযোগ ছিল না। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে দেশটি বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ত।
তিনি আরও বলেন, সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সব সামরিক স্থাপনা ও বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ ওয়াশিংটনের ধারণা, ইরানের সামরিক কাঠামোর একটি অংশ তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থি অবস্থানে রয়েছে। তবে যেসব অংশকে চরমপন্থি বা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধের সময় কোনো দেশের সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়। এতে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ব্যাহত হয় এবং দেশটি দীর্ঘ সময় অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। অতীতের বিভিন্ন সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাঁর মন্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আত্মসমালোচনামূলক মূল্যায়ন হিসেবেও দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নিরাপত্তার স্বার্থে ঠাকুর দীঘির কুমির স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, যাচ্ছে করমজলে

ইরান ও ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপ ছিল ভুল সিদ্ধান্ত: ডোনাল্ড ট্রাম্প

Update Time : ০৯:১৬:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের জড়ানো উচিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া সামরিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শনিবার (৩০ মে) ফক্স নিউজে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরাক যুদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ভুল। তিনি বলেন, ইরাক নিয়ে যা হয়েছে, আমরা খুবই খারাপ করেছি। এটি ছিল বোকামি। আমাদের সেখানে থাকা উচিত ছিল না।

ইরান প্রসঙ্গেও একই ধরনের মন্তব্য করে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের ইরানেও যাওয়া উচিত হয়নি।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সক্ষমতা ও সম্ভাব্য হুমকির বিষয়টি উপেক্ষা করার সুযোগ ছিল না। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে দেশটি বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ত।
তিনি আরও বলেন, সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সব সামরিক স্থাপনা ও বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ ওয়াশিংটনের ধারণা, ইরানের সামরিক কাঠামোর একটি অংশ তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থি অবস্থানে রয়েছে। তবে যেসব অংশকে চরমপন্থি বা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধের সময় কোনো দেশের সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়। এতে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ব্যাহত হয় এবং দেশটি দীর্ঘ সময় অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। অতীতের বিভিন্ন সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাঁর মন্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আত্মসমালোচনামূলক মূল্যায়ন হিসেবেও দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।