
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে এক মাদক মামলার আসামির বাড়িতে প্রবেশকে কেন্দ্র করে এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) স্থানীয়দের হাতে আটক ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে। আহত ওই পুলিশ সদস্য মো. ইমরান হাসান ওই এলাকার সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বাড়িতে গভীর রাতে একা প্রবেশ করলে তারা বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সালথা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি আহত অবস্থায় আছেন এবং তাকে ঘিরে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ভিডিওটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে, এএসআই ইমরান হাসানের দাবি, তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে রাতের বেলা একা এবং সিভিল পোশাকে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসান দাবি করেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার বাড়িতে প্রায়ই যাতায়াত করতেন এবং তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু কথোপকথনের অডিও-ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কেন এবং কী উদ্দেশ্যে ওই পুলিশ সদস্য রাতের বেলায় সেখানে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।
Reporter Name 









