
সাজ্জাদ হোসেন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি বলেন, “প্রিয় নগরকান্দা ও সালথাবাসী, আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও দোয়ার ফলেই আমি বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করেছি। এই বিজয় কোনো ব্যক্তির নয় এটি নগরকান্দা ও সালথার প্রতিটি মানুষের বিজয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তরুণ-তরুণী এবং মা-বোনসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের যে অগাধ বিশ্বাস তিনি পেয়েছেন, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। তার ভাষায়, এই বিজয় উল্লাসের নয়, এটি দায়িত্বের।
নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, আজ থেকে আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। দলমত নির্বিশেষে নগরকান্দা ও সালথার প্রতিটি মানুষ আমার আপনজন। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও দায়িত্বশীলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য তিনি সকল নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক, সমর্থক এবং নিরপেক্ষ ভোটারদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।
রাজনীতিতে সহনশীলতা ও ইতিবাচক ধারার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ভয় নয়, বিশ্বাসের রাজনীতি করি। ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি। নগরকান্দা ও সালথার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষাই হবে আমার অগ্রাধিকার।
তিনি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ফরিদপুর-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ৪১ জন। বৃহস্পতিবার ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোর গণনা শেষে রাত ১১টার দিকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট।
সবশেষে ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু যা এ আসনে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফরিদপুর-২ আসনে এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে সালথা ও নগরকান্দার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।
Reporter Name 



















