
শফিউল আযম, বিশেষ প্রতিনিধি
একসময় ৬৯ পাবনা-২ (বড়া-সুজানগর) আসন ধান শীষর (বিএনপি’র) ঘাঁটি হিসব ধরা হতা। এারর ত্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি সমীকণ সই চিত্র আর এক মাত্রিক নই। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী রাজনতিক বাস্তবতা, নতুন ভাটরর মাঠ নামা এবং নতুন ভাটারদর ভূমিকা-সব মিলিয় পাবনা-২ (বড়া-সুজানগর) আসন ভাটর হিসাব নতুন কর লিখছ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক (জামায়াত) বিএনপির শক্ত ঘাঁটিতেই বড় ফ্যাক্টর হয় উঠছ জামায়াত।
সাধারণ ভাটারদর ধারণা, পাবনা এখন পর্যন্ত ধানর শীষর ঘঁটি হলও এবারর নির্বাচন সই ঘাঁটিত বড় ফ্যাক্টর হব দাঁড়িপাল্লা। এদিক এ আসন প্রায় ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪০৮ জন ভাটারর মধ্য এক-ততীয়াংশ তরুণ ভাটার। এই তরুণ ভাটারদর সিদ্ধান্ত ফল নির্ধারণ বড় ভমিকা রাখব বল মন করছন রাজনতিক বিশ্লষকরা।
ত্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন পুনর্বিন্যাসর ফল পূর্বর ৬৯ পাবনা-২ আসনর সঙ্গ বড়া উপজলার ১টি পরসভা ও চারটি ইউনিয়ন যুক্ত হয় নতুনভাব গঠিত হয়ছ ৬৯, পাবনা-২ সংসদীয় আসন (সুজানগর-বড়া)। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থীরা কর্মী-সমর্থকদর সঙ্গ নিয় সকাল থক জনসংযাগ, সভা-সমাবশ ও মিছিল কর ভাটারদর কাছ পঁছানার চষ্টা করছন।এত কর নির্বাচনী মাঠ উত্তাপ ও প্রতিদ্বদ্বিতা দিন দিন বাড়ছ।
যদিও এ আসন জাতীয় পার্টি, ইসলামী আদালন বাংলাদশ ও গণঅধিকার পরিষদর প্রার্থীরাও নির্বাচন অংশ নিছন। তব মূল প্রতিদ্বদ্বিতা ঘির রয়ছ বাংলাদশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াত ইসলামির প্রার্থীক কদ্র কর। আলাচনার শীর্ষ আছন বিএনপির মনানীত প্রার্থী, দলর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবক দুইবারর সংসদ সদস্য অ্যাডভাকট এ. ক. এম সলিম রজা হাবিব এবং জামায়াত ইসলামির প্রার্থী সুজানগর উপজলা জামায়াতর আমির সহকারী অধ্যাপক ক. এম হসাব উদ্দিন।
পূর্ব পাবনা-২ আসনটি গঠিত ছিল সুজানগর উপজলার একটি পরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং বড়া উপজলার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়। তব সর্বশষ পুনর্বিন্যাস এখন পুরা সুজানগর উপজলা ও বড়া উপজলা নিয় গঠিত হয়ছ এই সংসদীয় আসন।
আসন পুনর্বিন্যাসর আগ এ আসন মাট ভাটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৪০ জন। বর্তমান ভাটার সংখ্যা বড় দাঁড়িয়ছ ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪০৮ জন। সুজানগর উপজলায় ভাটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯০ জন এবং বড়া উপজলায় ভাটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৮ হাজার ৭১৮ জন। মধ্য এক-ততীয়াংশ তরুণ ভাটার।
বিগত নির্বাচনর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই আসন থক ছয়বার আওয়ামী লীগ, চারবার বিএনপি এবং একবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ছন। উল্লখযাগ্য বিষয় হলা এই আসন থক জয়ী কানা সংসদ সদস্যক কখনা বিরাধী দলর আসন বসত হয়নি। ফল অনকর কাছই পাবনা-২ আসনটি ‘ক্ষমতার চাবিকাঠি’ হিসব বিবচিত হয় আসছ।
বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভাকট এ. ক. এম সলিম রজা হাবিব এ এলাকার ভাটারদর কাছ পরিচিত ও পরীক্ষিত মুখ। বড়া উপজলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম বর্তমান তুলনামূলকভাব শক্ত অব¯ান থাকায় তিনি সুবিধাজনক অব¯ায় রয়ছন বল মন করছন দলর নতাকর্মীরা।
আগর নির্বাচন শক্তিশালী আওয়ামী লীগ প্রার্থীক পরাজিত কর বড়া উপজলার পাঁচ ইউনিয়নর বিপুল ভাট তিনি দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবারর নির্বাচন বড়া উপজলার নতুন কর যুক্ত তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পরসভা তার জন্য ভাটর সমীকরণ আরও অনুকল এনছ বল ¯ানীয় বিএনপি নতারা মন করছন।
বড়া উপজলা বিএনপির সাবক সাধারণ সম্পাদক রইচ উদ্দিন বলন, ‘এ. ক. এম সলিম রজা হাবিব একজন ক্লিন ইমজর রাজনীতিবিদ। তিনি পাবনা-২ আসন দুই বার এমপি নির্বাচিত হয়ছন। বিগত আওয়ামীলীগর জুলুম নির্যাতন তিনি মানুষর পাশ থকছন। বড়া-সুজানগরর মানুষ তাক যাগ্য নতা হিসব এলাকার উনয়ন ধানর শীষ ভাট দিয় সংসদ পাঠাবন বল তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করছন।
অন্যদিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয় নির্বাচন অংশ নওয়া সহকারী অধ্যাপক ক. এম হসাব উদ্দিনক ঘির জামায়াত ও শিবির নতাকর্মীদর মধ্য ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাছ। তফসিল ঘাষণার পর থকই তারা উঠান বঠক, দলবদ্ধভাব ভাট প্রার্থনা এবং গণসংযাগ চালিয় যাছন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী রবিউল হাসান রুবল, ইসলামী আদালন বাংলাদশর মওলানা আফজাল হাসন এবং গণঅধিকার পরিষদর অ্যাডভাকট গালাম সরওয়ার খান জুয়ল নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী প্রচার-প্রচারণা চালিয় যাছন। নির্বাচনর দিন যত ঘনিয় আসছ, ততই পাবনা-২ আসন প্রতিদ্বদ্বিতা ও উত্তাপ বাড়ছ। শষ পর্যÍ ভাটর রায় কার পক্ষ যাব সদিকই এখন তাকিয় আছন এ এলাকার সাধারণ ভাটাররা।
Reporter Name 



















