Dhaka ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার রায়গঞ্জে নারী-শিশু সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে ১ হাজার টাকার বিরোধে যুবক হত্যা, ৮ মাস পর র‌্যাবের হাতে পলাতক আসামি গ্রেফতার  রায়গঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলা কিউআর ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে বেড়ায় পূবালী ব্যাংকের র‍্যালি ও সভা কাজিপুরে নিষিদ্ধ জালের দাপটে কমছে মাছ, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপের দাবি প্রয়াত এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদার ছিলেন ত্যাগী ও জনমুখী রাজনীতিবিদ: মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত নারী-পুরুষের বিয়ে, কারাগারে গড়ে ওঠা প্রেম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৩০ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কারাগারে পরিচয় থেকে শুরু হওয়া এক প্রেমের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রূপ নিচ্ছে। হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এক নারী ও এক পুরুষ বন্দিকে বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন রাজস্থান হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে তাদের ১৫ দিনের জরুরি প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজস্থানের আলওয়ার জেলার বারোদামেভ এলাকায় এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময় শেষে দুজনকেই পুনরায় কারাগারে ফিরে যেতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিয়েতে যাওয়া দুই আসামির নাম প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং হনুমান প্রসাদ। তারা দুজনেই বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে জয়পুরের সাঙ্গানের ওপেন জেলে তাদের পরিচয় হয়।

একই কারাগারে থাকার সময় ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। সেই সম্পর্কের পরিণতিতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। প্রিয়া শেঠ ২০১৮ সালের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হন। তদন্তে উঠে আসে, অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর এক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে গ্রেপ্তার এড়াতে তাকে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালের একটি ভয়াবহ পাঁচ খুনের মামলায় দণ্ডিত। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রেমিকার অনুরোধে প্রথমে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনার সাক্ষী হয়ে যাওয়ায় আরও চারজনকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সে সময় পুরো আলওয়ার এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিয়ের উদ্দেশ্যেই কেবল প্যারোল দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা শেষ হলে আইন অনুযায়ী তাদের আবার কারাগারে ফিরে যেতে হবে। কারাগার থেকে শুরু হওয়া এই প্রেম ও বিয়ের ঘটনা ইতোমধ্যেই ভারতজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন

হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত নারী-পুরুষের বিয়ে, কারাগারে গড়ে ওঠা প্রেম

Update Time : ১১:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কারাগারে পরিচয় থেকে শুরু হওয়া এক প্রেমের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রূপ নিচ্ছে। হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এক নারী ও এক পুরুষ বন্দিকে বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন রাজস্থান হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে তাদের ১৫ দিনের জরুরি প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজস্থানের আলওয়ার জেলার বারোদামেভ এলাকায় এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময় শেষে দুজনকেই পুনরায় কারাগারে ফিরে যেতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিয়েতে যাওয়া দুই আসামির নাম প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং হনুমান প্রসাদ। তারা দুজনেই বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে জয়পুরের সাঙ্গানের ওপেন জেলে তাদের পরিচয় হয়।

একই কারাগারে থাকার সময় ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। সেই সম্পর্কের পরিণতিতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। প্রিয়া শেঠ ২০১৮ সালের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হন। তদন্তে উঠে আসে, অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর এক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে গ্রেপ্তার এড়াতে তাকে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালের একটি ভয়াবহ পাঁচ খুনের মামলায় দণ্ডিত। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রেমিকার অনুরোধে প্রথমে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনার সাক্ষী হয়ে যাওয়ায় আরও চারজনকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সে সময় পুরো আলওয়ার এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিয়ের উদ্দেশ্যেই কেবল প্যারোল দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা শেষ হলে আইন অনুযায়ী তাদের আবার কারাগারে ফিরে যেতে হবে। কারাগার থেকে শুরু হওয়া এই প্রেম ও বিয়ের ঘটনা ইতোমধ্যেই ভারতজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।