Dhaka ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং রায়গঞ্জে গোয়ালঘর থেকে এক রাতে ৬ গরু চুরি তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮ গরু চুরি রায়গঞ্জে সিএনজি রাখার নামে ১০ টাকা চাঁদা, গ্রেপ্তার ১ ত্যাগীদের মূল্যায়নে সলঙ্গার ঘুড়কা ইউনিয়ন শ্রমিক দল গড়ছেন সভাপতি আবু সাইদ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রায়গঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাজেদ ডেঙ্গু আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া রায়গঞ্জে ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম  সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাড়ির গ্যাস রাইজারে আগুন
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

বগুড়ার শেরপুরে ৯ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪
  • ৩৯৪ Time View

জয় ফেমাস সাদ্দাম বগুড়া রিপোর্টারঃ

সরকারি জায়গা দখল করে দু’টি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর, রামচরণমুকুন্দ, দড়িমুকুন্দ, কানাইকান্দর, রাজবাড়ী, হাতিগাড়া, আড়ংশাইল, মদনপুর ও কৃষ্ণপুর গ্রামের মসজিদ, ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে রাস্তাঘাট।
কালভার্ট দু’টির মুখে বন্ধ করায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিঘা ফসলি জমি অনাবাদি অবস্থায় পড়ে আছে। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। বারবার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, কৃষি কেন্দ্রসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেও কোনো সমাধান মেলেনি। যদিও সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, জলাবদ্ধতা উত্তরণের পথ খুঁজতে কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান মিলবে।
স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না। পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ। সবচেয়ে বেশি সঙ্কট তৈরি হয়েছে স্থানীয় কৃষি খাতে। অনেকে বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকদের গত চার বছরে ১০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।
জানা গেছে, ওই এলাকার আড়ংশাইল গ্রামের এক ব্যক্তি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি জায়গা দখল করে নিজের জমির সাথে একটি পুকুর তৈরি করেছে। সরকারি জায়গা দখল করায় কালভার্টের মুখ পুকুরের অংশে পড়ে। এতে তিনি কালভার্টের সেই মুখটি বন্ধ করে দেন। এতে বর্ষায় পানি বের হতে পারে না, সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার।
মদনপুর গ্রামের আশাদুল জানান, কালভার্ট বন্ধ করে দেয়ায় তার ৬০ বিঘা জমি চার বছর ধরে পানির নিচে তলিয়ে আছে। প্রতি বছর গড়ে তিনি ২৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তার গ্রামের শতাধিক কৃষকের একই অবস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক না করা গেলে জমি থাকা সত্ত্বেও অনেকে নিঃস্ব হয়ে যাবেন।
মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, স্থানীয় আড়ংশাইল গ্রামে একটি পুকুর তৈরি ও দু’টি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কালভার্টের মুখ খুলে দিয়েছিলাম; কিন্তু সেটি আবার তারা বন্ধ করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নেয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন জিহাদী বলেন, আমাদের উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার, মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং অন্য প্রতিনিধিরা এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন। সরকারি প্রকল্প দিয়ে হলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং

বগুড়ার শেরপুরে ৯ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী

Update Time : ০১:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

জয় ফেমাস সাদ্দাম বগুড়া রিপোর্টারঃ

সরকারি জায়গা দখল করে দু’টি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর, রামচরণমুকুন্দ, দড়িমুকুন্দ, কানাইকান্দর, রাজবাড়ী, হাতিগাড়া, আড়ংশাইল, মদনপুর ও কৃষ্ণপুর গ্রামের মসজিদ, ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে রাস্তাঘাট।
কালভার্ট দু’টির মুখে বন্ধ করায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিঘা ফসলি জমি অনাবাদি অবস্থায় পড়ে আছে। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। বারবার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, কৃষি কেন্দ্রসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেও কোনো সমাধান মেলেনি। যদিও সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, জলাবদ্ধতা উত্তরণের পথ খুঁজতে কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান মিলবে।
স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না। পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ। সবচেয়ে বেশি সঙ্কট তৈরি হয়েছে স্থানীয় কৃষি খাতে। অনেকে বলছেন, জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকদের গত চার বছরে ১০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।
জানা গেছে, ওই এলাকার আড়ংশাইল গ্রামের এক ব্যক্তি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি জায়গা দখল করে নিজের জমির সাথে একটি পুকুর তৈরি করেছে। সরকারি জায়গা দখল করায় কালভার্টের মুখ পুকুরের অংশে পড়ে। এতে তিনি কালভার্টের সেই মুখটি বন্ধ করে দেন। এতে বর্ষায় পানি বের হতে পারে না, সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার।
মদনপুর গ্রামের আশাদুল জানান, কালভার্ট বন্ধ করে দেয়ায় তার ৬০ বিঘা জমি চার বছর ধরে পানির নিচে তলিয়ে আছে। প্রতি বছর গড়ে তিনি ২৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তার গ্রামের শতাধিক কৃষকের একই অবস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক না করা গেলে জমি থাকা সত্ত্বেও অনেকে নিঃস্ব হয়ে যাবেন।
মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, স্থানীয় আড়ংশাইল গ্রামে একটি পুকুর তৈরি ও দু’টি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কালভার্টের মুখ খুলে দিয়েছিলাম; কিন্তু সেটি আবার তারা বন্ধ করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নেয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন জিহাদী বলেন, আমাদের উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার, মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং অন্য প্রতিনিধিরা এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন। সরকারি প্রকল্প দিয়ে হলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা হবে।