
শফিউল আযম, বিশেষ প্রতিবেদকঃ
পাননার সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে গবাদিপশুর হাট ইজারা দেওয়া নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৯ টায় উপজেলা হলরুমে খোলা ডাকের মাধ্যমে গবাদিপশুর হাটের ইজারা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটা পক্ষকে খুশি করার জন্য উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেন বলে ইজারাদারদের অভিযোগ।
জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির অস্থায়ী পশুর হাট লাগানোর প্রস্তুতি নেন সাঁথিয়া বোয়ালমারী হাটের জামায়াত পন্থী ইজারাদারেরা। বিএনপি পন্থী ইজারাদারেরাও একই জায়গায় অস্থায়ী গরুর হাট লাগানোর চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে উপজেলা প্রশাসনকে দিয়ে হাটের কাজ বন্ধ রাখেন।পরে উপজেলা প্রশাসন ২১ মে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় উপজেলা হলরুমে খোলা ডাকের মাধ্যমে গবাদিপশুর হাটের ইজারা দেওয়ার জন্য একইদিন ভোরে মাইকিং করেন। আগেরদিন রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৩ জন ইজারাদারের মধ্যে ১৬ জন ইজারাদার যথাসময়ে উপস্থিত হন। রহস্যজনক কারণে একটি গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেন।
সাঁথিয়া বোয়ালমারী হাটের ইজারাদার ও জামায়াত নেতারা বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে খোলা ডাকের রেজিষ্ট্রেশন করি। বিএনপি পন্থী ইজারাদাররা আমাদের সাথে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আমাদেরকে প্রস্তাব দেন। আমরা রাজি না হওয়ায় খোলা ডাক বয়কট করেন তারা। বিএনপি পন্থীদের খুশি করার জন্যই উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেন। একই উপজেলার কাশিনাথপুরে কোন রকম টেন্ডার বা ডাক না দিয়েই তাদেরকে পশুর হাট লাগানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে তারা বিএনপি পন্থী হওয়ায়। এই ঘটনা নিয়ে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় উপজেলা প্রশাসনকেই নিতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না বলেন, ইজারাদারেরাই খোলা ডাকের পরিবেশ নষ্ট করে দিয়েছে। তাই আমরা ১৪৪ ধারা জারি করেছি।
শফিউল আযম, বিশেষ প্রতিবেদকঃ 
















