
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গেজেট প্রকাশের পর সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা জোরদার হয়েছে। আনুপাতিক আসন হিসাব অনুযায়ী, সংসদে প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের মিত্ররা সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন পাওয়ার সম্ভাবনায় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জোটের প্রাপ্ত আসনের মধ্যে জামায়াত এককভাবেও একাধিক আসন পেতে পারে। দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা এবং অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অবদান এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দলের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম রহমান, মজলিশে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নীসহ বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়াও সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার এবং আয়েশা সিদ্দিকা পারভীনের নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।
অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা গণমাধ্যমকে বলেন, দলীয় নীতিমালার আলোকে যোগ্য ও অভিজ্ঞ নারীদেরই সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে এবং জাতীয় সংসদে তাদের কার্যকর ভূমিকা বাড়বে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে।
Reporter Name 
















