
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
সালথা উপজেলায় নির্বাচনের জেরে বিএনপির এক এজেন্টকে পিটিয়ে আহত করা, বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর এবং পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সালথা উপজেলা যুব জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি এনায়েত তালুকদার। তিনি অভিযোগ করেন, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তাঁর ভাতিজা এসকেন তালুকদার এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভোট চলাকালে একটি পক্ষের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর থেকেই বিরোধের সূত্রপাত হয় বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোট শেষে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসকেন তালুকদারকে ধাওয়া করে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একইদিন জুমার নামাজের পর সিয়াম নামে এক যুবককে মারধরের অভিযোগও তোলা হয়, যা পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বলে জানান বক্তারা।
মুফতি এনায়েত আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন প্রথমে মৃধা বাড়িতে হামলা চালায় এবং ধানের শীষের সমর্থক রবিউল মৃধার বাড়িসহ শহিদ ও রিপন তালুকদারের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। বাধা দিতে গেলে কয়েকজনকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীরা বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিজয় মিছিল না করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ফরিদপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত এমপি শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। “নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে আমরা সংঘাত এড়িয়ে চলেছি। হামলা-হুমকির মুখে আত্মরক্ষার্থে প্রতিরোধে বাধ্য হয়েছি, বলেন বক্তারা।
বক্তারা দাবি করেন, সামনে চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার-এর বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগও তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং ‘মিথ্যা প্রচার’ বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়। তবে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
Reporter Name 

















