
রাজশাহী প্রতিনিধি:
বিএনপির মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে রাজশাহী-৬ আসনে মনোনয়ন নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এ জন্য তিন কোটি টাকার চুক্তির কথা বলা হয়।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপি কর্মী আমিনুল ইসলাম মিঠুর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি গণমাধ্যম অনুসন্ধান চালায়। সেখানে উঠে আসে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে কয়েক দফায় মোট ৬৫ লাখ টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শাওন আহমেদ সোহেল ও আসমা আক্তার নামে দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই অর্থ জমা পড়ে। পরবর্তীতে আরটিজিএস ও এনপিএসবি পদ্ধতিতে টাকা একাধিক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্কের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়ে একাধিক নথিপত্র পাঠানো হয়েছিল, যেখানে তারেক রহমানের মন্তব্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন না পাওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন মিঠু। একটি অডিও কথোপকথনের অস্তিত্বের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারাও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অবৈধ লেনদেনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ঘটনাটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
Reporter Name 
















