
সাজ্জাদ হোসেন, সালথা ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে জরুরি বিভাগ কার্যত বন্ধ। ৯টি পদে মাত্র ৩ জন চিকিৎসক থাকার ফলে আউটডোর সেবা সীমিত। এতে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান ও নিরাপত্তা প্রহরীও নেই। যন্ত্রপাতি থাকলেও জনবল সংকটে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগ বন্ধ থাকলেও বিকেলে চিকিৎসকরা প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহিনুল ইসলাম বলেন, “মোট ৯ জন চিকিৎসকের মধ্যে মাত্র ৩ জন কর্মরত। জরুরি ও ইনডোর সেবা চালানো সম্ভব নয়। নিরাপত্তা কর্মী ও টেকনিশিয়ান নিয়োগের বিষয়ে সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে।”
সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, ১ ফেব্রুয়ারি নতুন চিকিৎসক যোগদান করবেন। চিকিৎসকরা আসার পর জরুরি বিভাগ পুনরায় চালু হবে। নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে হাসপাতালের কার্যকারিতা আরও কমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।
Reporter Name 


















