Dhaka ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশে একই রাতে দুই গ্রাম থেকে ৬ গরু চুরি ৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং রায়গঞ্জে গোয়ালঘর থেকে এক রাতে ৬ গরু চুরি তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮ গরু চুরি রায়গঞ্জে সিএনজি রাখার নামে ১০ টাকা চাঁদা, গ্রেপ্তার ১ ত্যাগীদের মূল্যায়নে সলঙ্গার ঘুড়কা ইউনিয়ন শ্রমিক দল গড়ছেন সভাপতি আবু সাইদ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রায়গঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাজেদ ডেঙ্গু আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া রায়গঞ্জে ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম  সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

গরু চুরির ১৫২ নম্বর আসামি:রাঙ্গা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৬ Time View

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর:

জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক মহাসচিব ও লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম–হাতীবান্ধা) আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মসিউর রহমান রাঙ্গা অভিযোগ করেছেন, মত প্রকাশ করলেই মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও তিনি গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাটগ্রাম শহরে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাঙ্গা বলেন,

“দেশের বিভিন্ন জায়গায় থানা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যারা এসব করেছে, তারা নিজেরাই যখন দ্বন্দ্বে জড়ায়, তখন কোনো ওসির সাহস নেই তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর। প্রশাসন আজ লাল ফিতার জালে বন্দি। এর খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। এসব বিষয়ে কথা বললেই আমাকে গরু চুরির ১৫২ নম্বর আসামি বানানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন,

“আমি যদি অপরাধী হই, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী আমার বিচার হোক। একইভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও বিচার হওয়া উচিত। নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাঙ্গা বলেন, আমরা একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছি। প্রতিদিন নানা বাধার মুখে পড়ছি। কারা এসব করছে, তা সবাই জানে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচনে সহিংসতা অনিবার্য হয়ে উঠবে। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এই নির্বাচন অর্থহীন হয়ে পড়বে। জাপার সাবেক এই মহাসচিব আরও বলেন,

“আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি, এটাই আমাদের অপরাধ হয়ে গেছে। আমরা অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলাম এই সত্য আমরা অস্বীকার করছি না। জুলাই আন্দোলনের পক্ষেও আমরা ছিলাম। কিন্তু যদি বড় একটি অংশ নির্বাচনের বাইরে থাকে এবং আমরাও সরে যাই, তাহলে দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হবে। এতে ভবিষ্যৎ সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।”

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে প্রশাসন কখনোই পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিল না। বিভিন্ন বাস্তবতায় তারা সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও ডিসি-ইউএনওরা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না এমনটাই প্রতীয়মাহচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

তাড়াশে একই রাতে দুই গ্রাম থেকে ৬ গরু চুরি

গরু চুরির ১৫২ নম্বর আসামি:রাঙ্গা

Update Time : ০১:৫২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর:

জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক মহাসচিব ও লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম–হাতীবান্ধা) আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মসিউর রহমান রাঙ্গা অভিযোগ করেছেন, মত প্রকাশ করলেই মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও তিনি গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাটগ্রাম শহরে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাঙ্গা বলেন,

“দেশের বিভিন্ন জায়গায় থানা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যারা এসব করেছে, তারা নিজেরাই যখন দ্বন্দ্বে জড়ায়, তখন কোনো ওসির সাহস নেই তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর। প্রশাসন আজ লাল ফিতার জালে বন্দি। এর খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। এসব বিষয়ে কথা বললেই আমাকে গরু চুরির ১৫২ নম্বর আসামি বানানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন,

“আমি যদি অপরাধী হই, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী আমার বিচার হোক। একইভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও বিচার হওয়া উচিত। নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাঙ্গা বলেন, আমরা একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছি। প্রতিদিন নানা বাধার মুখে পড়ছি। কারা এসব করছে, তা সবাই জানে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচনে সহিংসতা অনিবার্য হয়ে উঠবে। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এই নির্বাচন অর্থহীন হয়ে পড়বে। জাপার সাবেক এই মহাসচিব আরও বলেন,

“আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি, এটাই আমাদের অপরাধ হয়ে গেছে। আমরা অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলাম এই সত্য আমরা অস্বীকার করছি না। জুলাই আন্দোলনের পক্ষেও আমরা ছিলাম। কিন্তু যদি বড় একটি অংশ নির্বাচনের বাইরে থাকে এবং আমরাও সরে যাই, তাহলে দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হবে। এতে ভবিষ্যৎ সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।”

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে প্রশাসন কখনোই পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিল না। বিভিন্ন বাস্তবতায় তারা সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও ডিসি-ইউএনওরা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না এমনটাই প্রতীয়মাহচ্ছে।