Dhaka ১২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রায়গঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল রায়গঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পানশী নৌকা বাইচ উপলক্ষে স্থান পরিদর্শন ও প্রস্তুতিমূলক সভা তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির রাস্তার কাজ বন্ধ, ভোগান্তিতে ২৫ পরিবারের বাসিন্দা প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুমুল আলোচনা, এআই দাবি ও পাল্টা অনুসন্ধানে নতুন বিতর্ক বেলকুচিকে মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় হাজী আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, তাড়াশে দুর্ভোগে ৪০ পরিবার বেড়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে শোকজ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সহযোগিতা চাইলেন রাজীব হোসেন তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষা বুধবার
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

বগুড়ায় সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৩৬৯ Time View

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি, সাদিকুর রহমান:

বগুড়া সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিট সদরের গোকুল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিজান গোকুল উত্তরপাড়ার আফসার আলীর ছেলে।

নিহত মিজান ছিল এক দল পাগল নেতা আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছর তার মত এত হামলা মামলা এত কম বয়সের বগুড়ায় কোন নেতার নেই। ৩ বছর আগেও দুর্বৃত্তদের হামলায় মৃত্যুর হাত থেকে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন যে কারণে তাকে দীর্ঘদিন থাকতে হয়েছে ঢাকার একটি হাসপাতালে ।

মামলা এবং হামলার কারণে মাঠে জঙ্গলে বাড়ির ছাদে আত্মগোপনে ছিলেন বহুদিন পরিবারকেও সময় দিতে পারেনি মিজান।

জেলার নেতারা বলেন, তার বুকে একটি স্বপ্ন ছিল একদিন এদেশ ঘুরে দাঁড়াবে স্বৈরাচার মুক্তহবে জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসবে কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস দেশে যখন সুবাতাস বইছে স্বৈরাচার যখন মুক্ত হয়েছে ঠিক সেই মুহূর্তে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন মিজান।এসব দলের হাই কমান্ডের দেখতে হবে তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে হবে এই মিজানরাই হচ্ছে দলের বীর সন্তান।

তারা আরো বলেন, যারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদেরকে অতি দ্রুত প্রশাসনের দিক থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং বিশেষ হস্তক্ষেপ চাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগান জানান, আমরা নেতা কর্মীদের নিয়ে পার্টি অফিসে বসে ছিলাম ঠিক সাড়ে ৯ টার দিকে আমার ফোনে একটি কল আসে মিজানকে আক্রমণ করা হয়েছে। তৎক্ষণিক আমরা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ গিয়ে দেখি মিজানের নিথর মরদেহটি পড়ে আছে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড বিপুল।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য সদস্য সচিব আবু হাসান বলেন, আমি এবং আমার জেলা আহ্বায়ক শুভ ভাই আমরা ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়ে অবস্থান করছিলাম ঠিক এমতো অবস্থায় আমাদের কাছে একটি ফোন আসে যে মিজানকে আক্রমণ করা হয়েছে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং মিজানকে নিহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। নিশ্চিত করে বলতে পারছি না তবে পূর্ব শত্রু তার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মিজানকে হত্যা করেছে গুগল ইউনিয়নের বিপুল। সে কোন দল করে তা আমাদের জানা নাই দল থেকে আমরা উদঘাটন করার চেষ্টা করছি। আমরা জানতে পেরেছি বিপুল এর আগেও মিজানকে হত্যার চেষ্টা করেছে কিন্তু মিজান সে সময় প্রাণে বেঁচে যায় তবে আজ মিজানকে একা পেয়ে তারা হত্যা করে। আমরা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে বাকি সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিজানের সহকর্মী জানান, হত্যাকান্ডের ২০ মিনিট আগে কারেন্ট ছিল না আমরা বারান্দায় বসে ছিলাম। মিজান ভাই আমাকে বললো এক কাপ লাল চা নিয়ে এসো আমার গলায় সমস্যা। আমি চা নিতে গেলাম এবং ওখানে ১০ থেকে ১২ জন চারটি মোটরসাইকেল যোগে আসে হৈ-চৈ হয় তবে কারেন্ট না থাকার কারণে আমি কিছু দেখতে পারছিলাম না তবে ভাইয়ের ভাই যেখানে বসে ছিল ঠিক সেখানেই হৈ-চৈ হচ্ছে আমি কিছুটা ঘাবড়ে যাই আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি তারা ভাইকে হত্যা করে উল্লাস করতে করতে চলে যাচ্ছে। আর মিজান ভাইয়ের নিথর দেহ গেটের সামনে পড়ে আছে। হত্যা করেছে বিপুল। সে এর আগেও হত্যার চেষ্টা করেছে তবে সেই সময় আমরা প্রাণে বেঁচে যাই। বিপুলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এবং আমাদের প্রাণনাশে হুমকির জন্য দীর্ঘ ৩ বছর গোকুলে যেতে পারিনি। আজ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসে ছিলাম তারা এসে মিজান ভাই কে হত্যা করে এবং আমারদের সাথে আরো দুইজন ছিল তাদেরকেও কোপানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রায়গঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল

বগুড়ায় সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Update Time : ০১:৫৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি, সাদিকুর রহমান:

বগুড়া সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিট সদরের গোকুল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিজান গোকুল উত্তরপাড়ার আফসার আলীর ছেলে।

নিহত মিজান ছিল এক দল পাগল নেতা আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছর তার মত এত হামলা মামলা এত কম বয়সের বগুড়ায় কোন নেতার নেই। ৩ বছর আগেও দুর্বৃত্তদের হামলায় মৃত্যুর হাত থেকে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন যে কারণে তাকে দীর্ঘদিন থাকতে হয়েছে ঢাকার একটি হাসপাতালে ।

মামলা এবং হামলার কারণে মাঠে জঙ্গলে বাড়ির ছাদে আত্মগোপনে ছিলেন বহুদিন পরিবারকেও সময় দিতে পারেনি মিজান।

জেলার নেতারা বলেন, তার বুকে একটি স্বপ্ন ছিল একদিন এদেশ ঘুরে দাঁড়াবে স্বৈরাচার মুক্তহবে জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসবে কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস দেশে যখন সুবাতাস বইছে স্বৈরাচার যখন মুক্ত হয়েছে ঠিক সেই মুহূর্তে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন মিজান।এসব দলের হাই কমান্ডের দেখতে হবে তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে হবে এই মিজানরাই হচ্ছে দলের বীর সন্তান।

তারা আরো বলেন, যারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদেরকে অতি দ্রুত প্রশাসনের দিক থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং বিশেষ হস্তক্ষেপ চাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগান জানান, আমরা নেতা কর্মীদের নিয়ে পার্টি অফিসে বসে ছিলাম ঠিক সাড়ে ৯ টার দিকে আমার ফোনে একটি কল আসে মিজানকে আক্রমণ করা হয়েছে। তৎক্ষণিক আমরা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ গিয়ে দেখি মিজানের নিথর মরদেহটি পড়ে আছে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড বিপুল।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য সদস্য সচিব আবু হাসান বলেন, আমি এবং আমার জেলা আহ্বায়ক শুভ ভাই আমরা ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়ে অবস্থান করছিলাম ঠিক এমতো অবস্থায় আমাদের কাছে একটি ফোন আসে যে মিজানকে আক্রমণ করা হয়েছে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং মিজানকে নিহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। নিশ্চিত করে বলতে পারছি না তবে পূর্ব শত্রু তার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মিজানকে হত্যা করেছে গুগল ইউনিয়নের বিপুল। সে কোন দল করে তা আমাদের জানা নাই দল থেকে আমরা উদঘাটন করার চেষ্টা করছি। আমরা জানতে পেরেছি বিপুল এর আগেও মিজানকে হত্যার চেষ্টা করেছে কিন্তু মিজান সে সময় প্রাণে বেঁচে যায় তবে আজ মিজানকে একা পেয়ে তারা হত্যা করে। আমরা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে বাকি সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিজানের সহকর্মী জানান, হত্যাকান্ডের ২০ মিনিট আগে কারেন্ট ছিল না আমরা বারান্দায় বসে ছিলাম। মিজান ভাই আমাকে বললো এক কাপ লাল চা নিয়ে এসো আমার গলায় সমস্যা। আমি চা নিতে গেলাম এবং ওখানে ১০ থেকে ১২ জন চারটি মোটরসাইকেল যোগে আসে হৈ-চৈ হয় তবে কারেন্ট না থাকার কারণে আমি কিছু দেখতে পারছিলাম না তবে ভাইয়ের ভাই যেখানে বসে ছিল ঠিক সেখানেই হৈ-চৈ হচ্ছে আমি কিছুটা ঘাবড়ে যাই আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি তারা ভাইকে হত্যা করে উল্লাস করতে করতে চলে যাচ্ছে। আর মিজান ভাইয়ের নিথর দেহ গেটের সামনে পড়ে আছে। হত্যা করেছে বিপুল। সে এর আগেও হত্যার চেষ্টা করেছে তবে সেই সময় আমরা প্রাণে বেঁচে যাই। বিপুলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এবং আমাদের প্রাণনাশে হুমকির জন্য দীর্ঘ ৩ বছর গোকুলে যেতে পারিনি। আজ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসে ছিলাম তারা এসে মিজান ভাই কে হত্যা করে এবং আমারদের সাথে আরো দুইজন ছিল তাদেরকেও কোপানো হয়।