Dhaka ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং রায়গঞ্জে গোয়ালঘর থেকে এক রাতে ৬ গরু চুরি তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮ গরু চুরি রায়গঞ্জে সিএনজি রাখার নামে ১০ টাকা চাঁদা, গ্রেপ্তার ১ ত্যাগীদের মূল্যায়নে সলঙ্গার ঘুড়কা ইউনিয়ন শ্রমিক দল গড়ছেন সভাপতি আবু সাইদ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রায়গঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাজেদ ডেঙ্গু আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া রায়গঞ্জে ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম  সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাড়ির গ্যাস রাইজারে আগুন
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

বগুড়ায় দেড় বছরেও শেষ হয়নি ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৩৭২ Time View

মোঃ সাদিকুল ইসলাম বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বগুড়ায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও শহরের ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। শুধু তাই নয়, গত ৩০ জুন এই প্রকল্পের মেয়াদও শেষ হয়েছে। কবে নাগাদ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে তাও পরিষ্কার করে বোঝা যাচ্ছে না। এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন পূর্ব বগুড়ার তিন উপজেলার প্রায় ১২ লাখের বেশি মানুষ। কারণ তাদের চলাচল ও পণ্য পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম হলো করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত এই সেতু। যদিও সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণ শেষ হবে এবং যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, বগুড়া শহরের পূর্ব প্রান্ত ও পূর্ব বগুড়ার তিন উপজেলার বাসিন্দাদের চলাচল সুগম করতে সরকার করতোয়া নদীর ওপর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ফতেহ আলী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল। সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু বাস্তবে কাজ হয়েছে অর্ধেকেরও কম। ফলে সেতুর নির্মাণ কাজ বর্ধিত সময়েও শেষ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

১৯৬২ সালে নির্মিত ফতেহ আলী সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ এটি ২০১৮ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। তারপরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর দিয়েই যানবাহন চলাচল করে আসছিল। পরে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এজন্য ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ মেলে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পর ঠিকাদার নিয়োগ করে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। সে সময় বিকল্প হিসেবে মানুষের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তবে সেতু পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ার পর আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন পূর্ব বগুড়ার বাসিন্দারা। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের আনন্দ নিরানন্দে পরিণত করেছে সেতু নির্মাণে বিলম্ব। ফলে পূর্ব বগুড়ার বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা একমাত্র বিকল্প ভরসা বাঁশের সাঁকো তারও নড়বড়ে অবস্থা।

সড়ক ও সেতু বিভাগ জানায়, ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা গত ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি। রাস্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ মিললেও সেতুর জন্য বরাদ্দ আটকে যাওয়ায় দুটি কাজ একসঙ্গে শুরু করা যায়নি। এ কারণে সেতুর কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন সেতুটি হবে ৪০ ফুট প্রশস্ত। এটি পূর্ব বগুড়ার গাবতলী, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা- এই তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের স্বপ্নের সেতু।

সেতু নির্মাণ কাজের ঠিকাদার জামির ইকবাল বলেন, যে কাজ বাকি আছে তা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে।

বগুড়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান জানান, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এজন্য ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং

বগুড়ায় দেড় বছরেও শেষ হয়নি ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ

Update Time : ০২:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মোঃ সাদিকুল ইসলাম বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বগুড়ায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও শহরের ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। শুধু তাই নয়, গত ৩০ জুন এই প্রকল্পের মেয়াদও শেষ হয়েছে। কবে নাগাদ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে তাও পরিষ্কার করে বোঝা যাচ্ছে না। এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন পূর্ব বগুড়ার তিন উপজেলার প্রায় ১২ লাখের বেশি মানুষ। কারণ তাদের চলাচল ও পণ্য পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম হলো করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত এই সেতু। যদিও সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণ শেষ হবে এবং যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, বগুড়া শহরের পূর্ব প্রান্ত ও পূর্ব বগুড়ার তিন উপজেলার বাসিন্দাদের চলাচল সুগম করতে সরকার করতোয়া নদীর ওপর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ফতেহ আলী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল। সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু বাস্তবে কাজ হয়েছে অর্ধেকেরও কম। ফলে সেতুর নির্মাণ কাজ বর্ধিত সময়েও শেষ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

১৯৬২ সালে নির্মিত ফতেহ আলী সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ এটি ২০১৮ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। তারপরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর দিয়েই যানবাহন চলাচল করে আসছিল। পরে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এজন্য ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ মেলে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পর ঠিকাদার নিয়োগ করে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। সে সময় বিকল্প হিসেবে মানুষের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তবে সেতু পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ার পর আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন পূর্ব বগুড়ার বাসিন্দারা। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের আনন্দ নিরানন্দে পরিণত করেছে সেতু নির্মাণে বিলম্ব। ফলে পূর্ব বগুড়ার বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা একমাত্র বিকল্প ভরসা বাঁশের সাঁকো তারও নড়বড়ে অবস্থা।

সড়ক ও সেতু বিভাগ জানায়, ফতেহ আলী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা গত ৩০ জুনের মধ্যে। কিন্তু ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি। রাস্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ মিললেও সেতুর জন্য বরাদ্দ আটকে যাওয়ায় দুটি কাজ একসঙ্গে শুরু করা যায়নি। এ কারণে সেতুর কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন সেতুটি হবে ৪০ ফুট প্রশস্ত। এটি পূর্ব বগুড়ার গাবতলী, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা- এই তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের স্বপ্নের সেতু।

সেতু নির্মাণ কাজের ঠিকাদার জামির ইকবাল বলেন, যে কাজ বাকি আছে তা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে।

বগুড়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান জানান, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এজন্য ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।