Dhaka ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশে একই রাতে দুই গ্রাম থেকে ৬ গরু চুরি ৮ দফা বাস্তবায়নে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং রায়গঞ্জে গোয়ালঘর থেকে এক রাতে ৬ গরু চুরি তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮ গরু চুরি রায়গঞ্জে সিএনজি রাখার নামে ১০ টাকা চাঁদা, গ্রেপ্তার ১ ত্যাগীদের মূল্যায়নে সলঙ্গার ঘুড়কা ইউনিয়ন শ্রমিক দল গড়ছেন সভাপতি আবু সাইদ এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রায়গঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাজেদ ডেঙ্গু আক্রান্ত,সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া রায়গঞ্জে ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম  সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল
বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সকল জেলা ও উপজেলায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ই মেইল: pddinkal@gmail.com

কাজিপুরে নিষিদ্ধ জালের দাপটে কমছে মাছ, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপের দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১২৩ Time View

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীসহ বিভিন্ন খাল, বিল ও জলাশয়ে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারে মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে মা মাছ, ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ নির্বিচারে শিকার করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীবেষ্টিত কাজিপুর উপজেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কিছু অসাধু জেলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করায় নদী ও জলাশয়ের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে। এতে জীববৈচিত্র্য ও ভবিষ্যৎ মৎস্য উৎপাদনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি ব্যাহত হচ্ছে। কাজিপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা হাসান মাহমুদুল হক বলেন, “মৎস্য অফিসে পর্যাপ্ত জনবল নেই। আমার অবসরেরও আর মাত্র দুই দিন বাকি। এরপর অতিরিক্ত দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এত বড় এলাকার যমুনা নদী ও খাল-বিল নিয়মিত তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই নদী, খাল ও বিলে মাছের সংকট আরও তীব্র হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, জব্দ অভিযান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে মৎস্য বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগেরও দাবি জানান তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

তাড়াশে একই রাতে দুই গ্রাম থেকে ৬ গরু চুরি

কাজিপুরে নিষিদ্ধ জালের দাপটে কমছে মাছ, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপের দাবি

Update Time : ০৭:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীসহ বিভিন্ন খাল, বিল ও জলাশয়ে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারে মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে মা মাছ, ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ নির্বিচারে শিকার করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীবেষ্টিত কাজিপুর উপজেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কিছু অসাধু জেলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করায় নদী ও জলাশয়ের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে। এতে জীববৈচিত্র্য ও ভবিষ্যৎ মৎস্য উৎপাদনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি ব্যাহত হচ্ছে। কাজিপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা হাসান মাহমুদুল হক বলেন, “মৎস্য অফিসে পর্যাপ্ত জনবল নেই। আমার অবসরেরও আর মাত্র দুই দিন বাকি। এরপর অতিরিক্ত দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এত বড় এলাকার যমুনা নদী ও খাল-বিল নিয়মিত তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই নদী, খাল ও বিলে মাছের সংকট আরও তীব্র হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, জব্দ অভিযান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে মৎস্য বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগেরও দাবি জানান তারা।