
শফিউল আযম, বিশেষ প্রতিবেদক
পাবনা বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, বেড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নূরেন মায়িশা খান । বুধবার (২০মে) দুপুরে আমিনপুরের কাজীপাড়ায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাজীপাড়া আব্দুর রউফের বাড়ি সংলগ্ন এক ফসলী জমির পাশে হালিম মোল্লার পুকুরপাড় থেকে অবৈধভাবে স্কেভেটরের সাহায্যে মাটি কাটা হচ্ছিল।
গোপন সংবাদের সূত্র ধরে উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেন। স্কেভেটরের সাহায্যে মাটি কাটার সময় উপজেলার খানপুড়া গ্রামের আউব আলীর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে হাত-নাতে আটক করা হয়। এ সময় সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভূমি অফিসের নাইটগার্ড আমিরুল ইসলাম তাকে ধরে ফেলে।
পরবর্তীতে আমিনপুর থানানএসআই আব্দুল লতিফ মিয়ার সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে জনসাধারনের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত জানায় বাতেন ফকিরের নির্দেশে, সে পুকুরপাড় থেকে মাটি কাটছিল। পুকুর মালিকের সাথে বাতেন ফকিরের মাটি কাটার চুক্তি আছে।
এলাকাবাসী ও অভিযান কালে প্রত্যক্ষদর্শী দুইজন সাক্ষী জানান, গত সাতদিন ধরে উক্ত স্থান ও তার পাশের রাস্তা থেকে স্কেভেটরের সাহায্যে মাটি কাটা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৪(ছ) ধারা অনুযায়ী ফসলী জমির আশেপাশে থেকে মাটিকাটা নিষিদ্ধ এবং ৭ এর (ক) ধারা এর গ উপধারা অনুযায়ী আশেপাশের ফসলী জমির ক্ষতি হয় এমন ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা থেকে মাটি কাটাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোন ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা থেকে নিজস্ব প্রয়োজনে স্কেভেটরের সাহায্যে মাটি কাটতে হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পূর্বানুমোদন ্রয়োজন হয়। যা তাদের ছিলো না।
পরে ভ্রাম্যমান আদালত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, বেড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নূরেন মায়িশা খান অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
শফিউল আযম, বিশেষ প্রতিবেদকঃ 
















